পটিয়া সমিতি, ঢাকা
পটিয়া সমিতি, ঢাকা একটি অরাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, যা চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার মানুষের মাঝে সৌহার্দ্য, ঐক্য ও সহমর্মিতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। রাজধানী ঢাকায় অবস্থানরত পটিয়াবাসীদের মধ্যে বন্ধন সুদৃঢ় করা এবং তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সহায়তা প্রদানই এই সমিতির প্রধান লক্ষ্য। সমিতি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষামূলক ও মানবিক কার্যক্রম আয়োজন করে থাকে, যেমন—মিলনমেলা, ছাত্রবৃত্তি প্রদান, রক্তদান কর্মসূচি ও দুঃস্থদের সহযোগিতা। “একতা, সহযোগিতা ও উন্নয়ন”—এই মূলমন্ত্রে বিশ্বাসী পটিয়া সমিতি, ঢাকা এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে চলেছে।
সভাপতির শুভেচ্ছা বাণী
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে অনন্য এবং শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ সাবেক পটিয়া মহকুমা বর্তমান পটিয়া উপজেলা। পটিয়া উপজেলার ঢাকাবাসী জনগণের প্রিয় প্রাঙ্গন পটিয়া সমিতি ঢাকা। এই সমিতির “ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান-২০২৪” পটিয়া বাসীর মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি পারষ্পারিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশা রাখি।
“ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান-২০২৪” উপলক্ষ্যে স্বরণীকা প্রকাশের বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ।
পটিয়া সমিতি ঢাকার আজকের “ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান-২০২৪” অনুষ্ঠানের পিছনে যাদের বদান্যতা, নিরলস কঠোর পরিশ্রম ও পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। পটিয়া সমিতি ঢাকার নেত্রীবৃন্দ সহ জীবন সদস্যগণ যে আস্থা এবং বিশ্বাস রেখে এই সামাজিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আমার উপর অর্পন করেছেন, তাদের এই আস্থা ও বিশ্বাসের জন্য তাদের সহ সকলের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি, সমাজ সেবামূলক কাজে নতুন যুগোপযোগী কর্মসূচী গ্রহণ বাস্তবায়নের কাজে আমার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে সেই প্রত্যয় ব্যক্তি করছি। সকলের অভিজ্ঞতা জ্ঞান ও প্রজ্ঞার সমন্বয় ঘটিয়ে এই সমিতি প্রতিটি কর্মসূচী এগিয়ে নিতে চাই।
অনেকের আর্থিক সহায়তা, আন্তরিকতা ও নিরলস প্রচেষ্টার কারনে আজকের এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। আজকের এই অনুষ্ঠানের সাফল্য যদি কিছু থাকে তা আপনাদেরই এবং ব্যর্থতা যদি কিছু থাকে তার দায়ভার আমাদের। আমি শ্রদ্ধার সাথে স্বরন করছি আমাদের পটিয়া সমিতি ঢাকার সাবেক সভাপতি মরহুম সর্বজনাব মামুন-উর রশিদ, মোঃ আবু তেয়ব ও হামিদুল হক সাহেব সহ অন্যান্য গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গগণকে যাদের সার্বিক প্রচেষ্টায় পটিয়া সমিতি, ঢাকা এ পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। পরিশেষে রাজধানী ঢাকায় বসবাসরত পটিয়া বাসীর এবং পটিয়ার সমগ্র জনগোষ্ঠীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।
শুভেচ্ছান্তে:
সৈয়দ হাবিব হাসনাত
সভাপতি
পটিয়া সমিতি, ঢাকা।
এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক
গ্লোবাল ইসলামিক ব্যাংক পি.এল.সি।
শুভেচ্ছা বাণী
পটিয়া সমিতি-ঢাকা সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক এবং জনহিতকর একটি সামাজিক সংগঠন। সমাজসেবার পাশাপাশি এটি পটিয়াবাসীর পারস্পরিক সৌহার্দ্য-সম্প্রীতির স্বত:স্ফূর্ত মিলনকেন্দ্র। এই সমিতির “ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান-২০২৪” অনুষ্ঠিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে স্মরণীকা প্রকাশের এই মহৎ উদ্যোগের শুভ কামনা করছি এবং অনুষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত সকল আয়োজকসহ পটিয়া বাসীদের আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
গুণী প্রসবীনি বৃহত্তর চট্টগ্রামের প্রাচীন জনপদ পটিয়া উপজেলায় অনেক দেশবরেন্য ব্যক্তিবর্গের জন্ম হয়েছে। এই সমস্ত গুণী ব্যক্তিবর্গ শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য, আইন ও বিচার অঙ্গনে এবং ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনে দ্যুতি ছড়িয়েছেন। তাঁদের অবদান সময়ের পরিক্রমায় এবং সফলতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আলোচিত হয় এবং উচ্চারিত হয় অত্যন্ত শ্রদ্ধা এবং গৌরবের সাথে। সে সমস্ত স্মরণীয় ও বরণীয় ব্যক্তিবর্গের আদর্শ ও মূল্যবোধ হোক পটিয়া সমিতি-ঢাকার চলার পথের চালিকা শক্তি।
শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সমাজসেবা ও দেশপ্রেমকে কাজে লাগিয়ে পটিয়ার ঐতিহ্য ও গৌরবের ধারাবাহিকতায় সমৃদ্ধি ও সাফল্যের স্বপ্নচারিতায় পটিয়া সমিতি-ঢাকা এগিয়ে যাচ্ছে। সমাজ হিতৈষি মানসিকতা, দেশপ্রেম এবং মূল্যবোধের বার্তা নিয়ে আমাদের পূর্বসরীদের ন্যায় এই সামাজিক সংগঠনটি আগামী দিনে আরও সমাদৃত ও অনুকরণীয় হবে এবং দেশ ও জাতি গঠনে অবদান রাখবে এই প্রত্যাশা রইল ।
পরিশেষে “ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান-২০২৪” এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি। পটিয়া'কে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণের জনপদ হিসেবে আরও এগিয়ে নেওয়ার জন্য নিজ নিজ অবস্থান থেকে সকলেই কাজ করবে-এই প্রত্যাশা করি।
বোধত্রমহামান
(বিচারপতি জে, বি, এম, হাসান)
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট,
হাইকোর্ট বিভাগ।
শুভেচ্ছা বাণী
ঢাকাস্থ পটিয়াবাসীর প্রিয় সামাজিক সংঘঠন পটিয়া সমিতি-ঢাকা। উক্ত সমিতি কর্তৃক "ঈদপূণর্মিলনি ও মেজবান-২০২৪" অনুষ্ঠিত হচ্ছে জেনে আমি খুবই আনন্দিত হয়েছি। এই উপলক্ষ্যে স্মরণীকা "ঐতিহ্য" প্রকাশের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এই আনন্দঘন মূহূর্তে কার্যনির্বাহি পরিষদ, জীবন সদস্য এবং পটিয়ার জনগণকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা।
সাবেক পটিয়া মহকুমার বর্তমান পটিয়া উপজেলার স্মরণীয় ও বরণীয় ব্যক্তিগণ তাদের মেধা, শ্রম, দক্ষতাও দেশপ্রেমকে কাজে লাগিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রেখেছেন। পটিয়ার কৃতীসন্তানদের সে সমস্ত বদান্যতা, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং নানা প্রকার -নান্দনিক বিষয় পটিয়া সমিতি, ঢাকা তুলে ধরার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে অনন্য, বীর প্রসবীনি জনপদ পটিয়াবাসী অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সুস্থ সংস্কৃতির আলোয় আলোকিত। পটিয়ার জনসাধারনের পারস্পরিক বন্ধন ও ঐক্য সবসময় অনুকরণীয়। "দেশের সমৃদ্ধির স্বার্থেই এবং চট্টগ্রামবাসীর কল্যাণের জন্যই চট্টগ্রামের উন্নয়ন অপরিহার্য। সেজন্য সদাশয় বর্তমান সরকার চট্টগ্রামের উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়েছে। পটিয়া এবং পটিয়াবাসী এই উন্নয়ন সুবিধার আওতায় রয়েছে"। বর্তমান সদাশয় সরকার আমার সংসদীয় এলাকা পটিয়ার উন্নয়নে যাতে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করে তজ্জন্য আমার সর্বাত্মক নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
পরিশেষে পটিয়ার আপাময় জনসাধারনের সুখ, সমৃদ্ধি, সুস্বাস্থ্য এবং সার্বিক কল্যাণ কামনা
করছি।
বীর মুক্তিযোদ্ধা
আলহাজ্ব মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী
নবনির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য
চট্টগ্রাম-১২, (পটিয়া)।
শুভেচ্ছা বাণী
রাজধানীর বুকে বসবাসরত পটিয়াবাসীর প্রাণের সংগঠন 'পটিয়া সমিতি-ঢাকা' কর্তৃক কোন অনুষ্ঠানের আগাম বার্তা পেলে সত্যিই আনন্দ অনুভব করি। কারণ যান্ত্রিক শহরে পরস্পর ভাববিনিময় তথা মনের কথা বলা ও শোনার লোকের বড়ই অভাব। আমরা সবাই যার যার নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। কিন্তু আঞ্চলিকতার অনুভূতি এড়াতে পারি না। ফলে ঢাকা শহরে বিভিন্ন পেশায় কর্মরত পটিয়াপ্রেমী কিছু ব্যক্তির ডাকে আমরা সাড়া দিতে বাধ্য হই।
পটিয়া সমিতির পক্ষ থেকে এই বছর 'ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান-২০২৪' আয়োজনের খবর শুনে খুব ভালো লাগছে। প্রতি বছর এভাবেই ঈদ পরবর্তী সময়ে পটিয়াবাসীদের সাথে অনাবিল আনন্দে মিলিত হবো প্রাণের টানে। পটিয়া সমিতি টিকে থাকুক যুগ যুগ ধরে আমাদের মাঝে।
'ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান-২০২৪' সুষ্ট সুন্দরভাবে সফল ও প্রাণবন্ত হোক।
আলহাজ্ব আবদুস সামাদ লাবু
চেয়ারম্যান, পরিচালনা পর্ষদ
আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
প্রধান কার্যালয়, পুরানা পল্টন, ঢাকা।
আহ্বায়কের শুভেচ্ছা বাণী
বৃহত্তর চট্টগ্রামের প্রাচীন জনপদ সাবেক পটিয়া মহকুমা বর্তমান পটিয়া উপজেলা গৌরবময় ঐতিহ্যের ধারক। পটিয়া সমিতি-ঢাকা একটি সমাজ হিতৈষি মহতি সংগঠন এবং অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। ঐতিহাসিক বীর প্রসবীনি ভূমি বর্তমান পটিয়া উপজেলা এবং সাবেক পটিয়া মহকুমায় অনেক দ্যুতিময় গুণী ব্যক্তিগণ জন্মগ্রহণ করেছেন। তাঁরা তাদের সততা, মেধা, শ্রম ও প্রজ্ঞা দিয়ে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে অবদানের মাধ্যমে রাষ্ট্রব্যবস্থা, সরকার, সমাজ ও সভ্যতার অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। যে কারণে ঐতিহ্যবাহী পটিয়ার অতীত ও বর্তমান সৌরভ এবং গৌরব সর্বজন বিদিত।
স্বাধীন সার্বভৌম প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় বসবাসরত পটিয়াবাসীদের প্রিয় প্রাঙ্গন পটিয়া সমিতি-ঢাকা। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে প্রিয় এ সামাজিক সংগঠন ব্যাপক- ভাবে সমাদৃত ঐতিহ্যবাহী মেজবানের ব্যবস্থা করে আসছে। “ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান-২০২৪” উপলক্ষ্যে স্মরণিকা ঐতিহ্য প্রকাশিত হওয়ার প্রাক্কালে সকলকে জানাই ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
“ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবানের” আহবায়কের দায়িত্ব আমার উপর অর্পিত হয়েছে। আস্থার সাথে আমার উপর অর্পিত গুরুদাযিত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনে যথাসাধ্য স্বচেষ্ট থাকব ইনশাআল্লাহ। এই দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করতে ঢাকাস্থ সকল পটিয়াবাসী, বিজ্ঞাপনদাতা, সম্মানিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানসমূহ স্ব-স্ব অবস্থান থেকে আন্তরিক ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছেন। তাই সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। এই "ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবানকে" সাফল্যমণ্ডিত করে তোলার কাজে আমাদের সকলের নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্যের জায়গায় সর্বোচ্চ নিরলস প্রচেষ্টা থাকবে – এটাই আমি একান্তভাবে সকলের নিকট প্রত্যাশা করি।
পরিশেষে এই "ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান-২০২৪” অনুষ্ঠান আয়োজনে যাদের অর্থ, সামর্থ্য, বিজ্ঞাপন, সার্বিক পরামর্শ, অনুপ্রেরণা ও পৃষ্ঠপোষকতায় "ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান” আয়োজন সম্ভব হয়েছে তাদের সকলকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও মোবারকবাদ এবং তাঁদের সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করছি।
মোহাম্মদ আলী নাওয়াজ
আহ্বায়ক
মেজবান ও মিলনমেলা-২০২৩
পটিয়া সমিতি-ঢাকা।
সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য
বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী ও গৌরবময় জনপদের নাম পটিয়া। তৎকালীন ব্রিটিশ ও সাহিত্যে আমাদের পটিয়ার কতি সন্তানদের অবদান অনস্বীকার্য।
আজ এই মহেন্দ্রক্ষণে আমি পটিয়ার সকল কতি সন্তানদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।
আমি বিশেষ করে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি ছির সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালনরত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, শ্রদ্ধেয় মরহুম মামুন উ রশীদ। ১ বৎসর ৮ মাস সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি; স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের সাবেক যারা বিগত কার্যনির্বাহী পরিষদে থেকে পারা সমিতির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকা
রেখেছেন, অথচ এখন আমাদের মাঝে আর এই সেই সম্মানিত ব্যক্তিদের। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশেষ করে কারত্ব দূরীকরণের যে দৃষ্টান্ত পটিয়ার গর্বিত সন্তানরা রেখে যাচ্ছেন সেই রত্নগর্ভা মায়ের সন্তানদের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা ও অভিবাদন। পটিয়ার খ্যাতিমান ও গুণী ব্যক্তিদের সম্মানকে সমুন্নত রেখে ও বিগত কার্যকরী পরিষদের কর্মপরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় বর্তমান কমিটি নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। পটিয়া সমিতি-ঢাকা প্রায় প্রতি বছরই মেজবান ও মিলন মেলার আয়োজন করে থাকে। এই আয়োজন আমাদের পারস্পরিক ভাতৃত্ববোধ, একে অপরের সাথে যোগাযোগে উৎকর্ষ সাধন ও মেলবন্ধনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে, তারই ফলশ্রুতিতে আমাদের এই ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান অনুষ্ঠানের আয়োজন।পটিয়া সমিতি- ঢাকা'র স্থায়ী অফিস ক্রয়ের পর এই সমিতি শুধু মেজবান ও মিলনমেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন, ইতিমধ্যে পটিয়ার অসচ্ছল ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থেকে সহযোগিতার লক্ষ্যে আমরা শিক্ষা বৃত্তি তহবিল গঠন করেছি। যাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায় তাই তহবিলের জন্য আলাদা ব্যাংক একাউন্ট করা হয়েছে, একই সাথে বর্তমান কার্যকরী কমিটির অনেকে এই একাউন্টে অনুদান প্রদান করেছেন এবং অনেকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আশা করছি সকল স্বাবলম্বী সম্মানিত জীবন সদস্য এবং আমাদের পটিয়ার ধনাঢ্য ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসলে আমাদের লক্ষ্য অর্জনে অনেক বড় আকারের তহবিল গঠন করতে সক্ষম হব। এছাড়াও বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে অনিন্দ্য সুন্দর পটিয়া বিনির্মাণে সমিতির অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবানের পাশাপাশি আমাদের আরেকটি অনুষঙ্গ "ঐতিহ্য" স্মরণিকা প্রকাশনা। পটিয়ার কৃষ্টি ও সংস্কৃতি তুলে ধরার পাশাপাশি, পটিয়ার গুণী ও খ্যাতিমান ব্যত্ত্বিদের জীবনী ও কর্মযজ্ঞ গুলো তুলে ধরার চমৎকার একটি মাধ্যম। এই প্রকাশনায় যারা নিরলস ভাবে কাজ করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং একই সাথে যে সমস্ত সম্মানিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান আর্থিক সহযোগিতার পাশাপাশি আমাদেরকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বাংলাদেশের প্রত্যেক প্রান্তে পটিয়ার সূর্য সন্তানেরা আলো ছড়িয়ে দিক একই সাথে একে অপরের পাশে থেকে সহযোগিতা, সহমর্মিতার মাধ্যমে পটিয়ার ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখুক,এই প্রত্যাশায় সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। মহান আল্লাহ সবার সহায় হোন।
শুভেচ্ছান্তে
মোঃ নুরুল ইসলাম
সাধারণ সম্পাদক
পটিয়া সমিতি-ঢাকা।
মোবাইল নং-০১৮৫১১১৬৬৪৫
স্মরণিকা উপ-কমিটির আহ্বায়কের বক্তব্য
পটিয়া সমিতি-ঢাকা'র পক্ষ থেকে সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
প্রতি বছরের ন্যায় এবারও রাজধানীতে পটিয়াবাসীর প্রাণের উৎসব মেজবান আয়োজন করা হয়েছে।। এটি পটিয়ার আপামর মানুষের মনের অনুভূতি বিনিময়, আড্ডা, হাসি আর আনন্দমুখর একটি দিন। মেজবান একটি স্মরণীয় আনন্দ উৎসবের নাম ও এক বিশাল কর্মযজ্ঞের সমাহার। স্মরণিকা প্রকাশের সামনে এটি পরিপূর্ণতা লাভ করে। ঢাকাস্থ পটিয়াবাসীকে সেবা প্রদানের মূল উদ্দেশ্যই এই প্রকাশনার প্রয়াস। প্রাণের উৎসব মেজবানে আনন্দ, উৎসাহ ও উদ্দীপনার সেতুবন্ধ করে রাখার জন্য এবারও সমিতির মুখপত্র স্মারক 'ঐতিহ্য' প্রকাশিত হয়েছে। স্মরণিকা প্রকাশনার সাথে থাকতে পেরে নিজেকে গৌরবান্বিত বোধ করছি। এই সৃজনশীল কাজে এবার প্রকাশনার দায়িত্বে নিয়োজিত উপকমিটি অত্যন্ত শ্রম ও মেধা দিয়ে স্মরণিকাকে সুন্দর করে সাজাতে চেষ্টা করেছে, যা সত্যি প্রশংসার দাবিদার। এবারের ঐতিহ্যে স্বনামধন্য কবি, সাহিত্যিক, লেখক ও বুদ্ধিজীবীদের লেখা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আশা করি, আগামীতেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। বরাবরই প্রকাশনার কাজটি খুবই জটিলও বটে। তবুও যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করেছি সমিতির মুখপত্রটি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলা ও নির্ভুল প্রকাশনার জন্য। শত নির্ভুল প্রচেষ্টার পরও যদি উক্ত প্রকাশনায় কোন ভুলত্রুটি থাকে তাহলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল। যাঁরা এর জন্য কষ্ট স্বীকার করে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন তাঁদের সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পরিশেষে এই প্রকাশনায় যাঁরা লেখা এবং নিজস্ব কথামালা দিয়ে এটিকে প্রজ্ঞাময় ও বৈচিত্র্যময় করতে সহযোগিতা করেছেন তাদের সবার জন্য রইল বিনম্র শ্রদ্ধা ও নিরন্তর ভালোবাসা। যাঁরা বিজ্ঞাপন দিয়ে ও মেজবান পরিচালনায় আর্থিকভাবে সহায়তা করেছেন তাঁদের প্রতি রইল অশেষ কৃতজ্ঞতা। পটিয়া সমিতি-ঢাকা'র মেজবান ও মিলনমেলা-২০২৪ এর সার্বিক সফলতা এবং প্রকাশিত স্মরণিকার সার্থকতা কামনা করছি।
মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন চৌধুরী হিরো
আহবায়ক
স্মরণিকা উপ-কমিটি
পটিয়া সমিতি-ঢাকা |
সদস্য সচিবের বক্তব্য
২৭ই এপ্রিল, ২০২৪ এ ঢাকাস্থ পটিয়া সমিতির ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান অনুষ্ঠিত যায় যাচ্ছে। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে স্বরনিকা উপ কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব আমার উপর অর্পিত হয়েছে। পটিয়া সমিতি ঢাকার কার্যনির্বাহী পরিষদ সাধারও আমাকে পুনরায় সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য আমি সমিতির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পাউয়া সমিতি ঢাকা ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান ২০২৪ পলক্ষ্যে প্রকাশিত "ঐতিহ্য” নামক ম্যাগাজিনে যে সকল সম্মানিত লেখকগন গুরুত্বপূর্ণ লেখা দিয়ে প্রকাশনায় সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের প্রতি জানাই আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। প্রকাশনার কাজটি বরাবরই একটি জটিল কাজ। শত ভালো ও সুন্দর করার ইচ্ছে থাকা স্বত্বেও কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল থেকেই যায়। গুনীজন নিজগুনে সকল ভুল ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বলে আশা রাখি। পটিয়া সমিতি ঢাকার ম্যাগাজিন উপকমিটি'র সদস্য সচিবের দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে আমি গৌরবান্বিতবোধ করছি। পটিয়া সমিতি ঢাকা যে সকল মহৎ প্রাণের বিনিময়ে এ সমিতি আজকে যে সুনাম ও সম্মানের অবস্থান সৃষ্টি করেছে-সেই সুনাম ও সম্মান যেন সবসময় বজায় রাখতে পারি, সেই প্রচেষ্টাই চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
শুভেচ্ছান্তে:
মোঃ খোরশেদ আলম
সদস্য সচিব
ম্যাগাজিন উপ-কমিটি
এবং তথ্য ও প্রকাশনা সম্পাদক
পটিয়া সমিতি, ঢাকা।
স্মরণিকা উপ-কমিটির সদস্য সচিবের বক্তব্য
স্মরণিকা উপ-কমিটির
২৭ই এপ্রিল, ২০২৪ এ ঢাকাস্থ পটিয়া সমিতির ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান অনুষ্ঠিত যায় যাচ্ছে। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে স্বরনিকা উপ কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব আমার উপর অর্পিত হয়েছে। পটিয়া সমিতি ঢাকার কার্যনির্বাহী পরিষদ সাধারও আমাকে পুনরায় সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য আমি সমিতির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পাউয়া সমিতি ঢাকা ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান ২০২৪ পলক্ষ্যে প্রকাশিত "ঐতিহ্য” নামক ম্যাগাজিনে যে সকল সম্মানিত লেখকগন গুরুত্বপূর্ণ লেখা দিয়ে প্রকাশনায় সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের প্রতি জানাই আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। প্রকাশনার কাজটি বরাবরই একটি জটিল কাজ। শত ভালো ও সুন্দর করার ইচ্ছে থাকা স্বত্বেও কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল থেকেই যায়। গুনীজন নিজগুনে সকল ভুল ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বলে আশা রাখি। পটিয়া সমিতি ঢাকার ম্যাগাজিন উপকমিটি'র সদস্য সচিবের দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে আমি গৌরবান্বিতবোধ করছি। পটিয়া সমিতি ঢাকা যে সকল মহৎ প্রাণের বিনিময়ে এ সমিতি আজকে যে সুনাম ও সম্মানের অবস্থান সৃষ্টি করেছে-সেই সুনাম ও সম্মান যেন সবসময় বজায় রাখতে পারি, সেই প্রচেষ্টাই চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
শুভেচ্ছান্তে:
মোঃ খোরশেদ আলম
সদস্য সচিব
ম্যাগাজিন উপ-কমিটি
এবং তথ্য ও প্রকাশনা সম্পাদক
পটিয়া সমিতি, ঢাকা।