স্মরণিকা উপ-কমিটির আহ্বায়কের বক্তব্য

স্মরণিকা উপ-কমিটির  আহ্বায়কের বক্তব্য

পটিয়া সমিতি-ঢাকা' পক্ষ থেকে সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানাই।

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও রাজধানীতে পটিয়াবাসীর প্রাণের উৎসব মেজবান আয়োজন করা হয়েছে।। এটি পটিয়ার আপামর মানুষের মনের অনুভূতি বিনিময়, আড্ডা, হাসি আর আনন্দমুখর একটি দিন। মেজবান একটি স্মরণীয় আনন্দ উৎসবের নাম এক বিশাল কর্মযজ্ঞের সমাহার। স্মরণিকা প্রকাশের সামনে এটি পরিপূর্ণতা লাভ করে। ঢাকাস্থ পটিয়াবাসীকে সেবা প্রদানের মূল উদ্দেশ্যই এই প্রকাশনার প্রয়াস। প্রাণের উৎসব মেজবানে আনন্দ, উৎসাহ উদ্দীপনার সেতুবন্ধ করে রাখার জন্য এবারও সমিতির মুখপত্র স্মারক 'ঐতিহ্য' প্রকাশিত হয়েছে। স্মরণিকা প্রকাশনার সাথে থাকতে পেরে নিজেকে গৌরবান্বিত বোধ করছি। এই সৃজনশীল কাজে এবার প্রকাশনার দায়িত্বে নিয়োজিত উপকমিটি অত্যন্ত শ্রম মেধা দিয়ে স্মরণিকাকে সুন্দর করে সাজাতে চেষ্টা করেছে, যা সত্যি প্রশংসার দাবিদার। এবারের ঐতিহ্যে স্বনামধন্য কবি, সাহিত্যিক, লেখক বুদ্ধিজীবীদের লেখা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আশা করি, আগামীতেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। বরাবরই প্রকাশনার কাজটি খুবই জটিলও বটে। তবুও যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করেছি সমিতির মুখপত্রটি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলা নির্ভুল প্রকাশনার জন্য। শত নির্ভুল প্রচেষ্টার পরও যদি উক্ত প্রকাশনায় কোন ভুলত্রুটি থাকে তাহলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল। যাঁরা এর জন্য কষ্ট স্বীকার করে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন তাঁদের সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পরিশেষে এই প্রকাশনায় যাঁরা লেখা এবং নিজস্ব কথামালা দিয়ে এটিকে প্রজ্ঞাময় বৈচিত্র্যময় করতে সহযোগিতা করেছেন তাদের সবার জন্য রইল বিনম্র শ্রদ্ধা নিরন্তর ভালোবাসা। যাঁরা বিজ্ঞাপন দিয়ে মেজবান পরিচালনায় আর্থিকভাবে সহায়তা করেছেন তাঁদের প্রতি রইল অশেষ কৃতজ্ঞতা। পটিয়া সমিতি-ঢাকা' মেজবান মিলনমেলা-২০২৪ এর সার্বিক সফলতা এবং প্রকাশিত স্মরণিকার সার্থকতা কামনা করছি।

 

মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন চৌধুরী হিরো

আহবায়ক

স্মরণিকা উপ-কমিটি

পটিয়া সমিতি-ঢাকা |